![]()
ফজলুল হক, লন্ডনঃ
বৃহস্পতিবার ইউনাইটেড নেশন অ্যাসোসিয়েশন ইউকে (ইউএনএ ইউকে) এর উদ্দ্যোগে সেন্ট্রাল হল ওয়েস্টমিনস্টার, লন্ডনে একটি ল্যান্ডমার্ক পাবলিক ডিবেট এবং হোস্টিং ইভেন্টের আয়োজন করে। ইভেন্টের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে "লিডার দ্য ওয়ার্ল্ড নিডস জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিবের জন্য চলমান ২০২৬ নির্বাচন প্রক্রিয়ার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হয়েছে। ব্রিটিশ পাবলিক এবং গ্লোবাল সিভিল সোসাইটিকে ১লা জানুয়ারি ২০২৭ তারিখে অফিস নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কাছ থেকে সরাসরি শোনার জন্য ইউনাইটেড নেশন অ্যাসোসিয়েশন ইউকে-এর চেয়ারম্যান ইয়ান মার্টিন অনুষ্ঠাটি পরিচালনা করেন। আন্তোনিও গুতেরেসের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার দৌড়ে চারজন অফিসিয়াল প্রার্থী রয়েছেন: রাফায়েল গ্রসি,
মিশেল ব্যাচেলেট জেরিয়া, রেবেকা গ্রিনস্প্যান মায়ুফিস এবং ম্যাকি সাল।![]()
বর্তমানে মনোনীত চারজনের মধ্যে দুইজন ইউএনএ-ইউকে অংশ নিতে সম্মত হয়েছেন।
তারা হলেন রাফায়েল গ্রসি এবং রেবেকা গ্রিনস্প্যান।
রাফায়েল গ্রসি আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক এবং আর্জেন্টিনা কর্তৃক
মনোনীত একজন প্রাক্তন কূটনীতিক।
মিশেল ব্যাচেলেট জেরিয়া হলেন চিলির প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, প্রাথমিকভাবে চিলি, ব্রাজিল এবং মেক্সিকো
দ্বারা মনোনীত হয়েছিল, কিন্তু চিলি পরে ২৪ মার্চ জাতিসংঘকে জানিয়েছিল যে এটি তার মনোনয়ন
প্রত্যাহার করছে। তিনি এখন ব্রাজিল ও মেক্সিকোর প্রার্থী। রেবেকা গ্রিনস্প্যান মায়ুফিস জাতিসংঘের
মহাসচিব । অনুষ্ঠানে আরো যারা উপস্থিত ছিলেন, ডেভিড ওলড্রপ: ইউএনএ ওয়েস্টমিনস্টারের চেয়ার,
ট্রিশ রজার: দ্য চেয়ার অফ ইউনাইটেড নেশন অ্যাসোসিয়েশন লন্ডন এবং সাউথ ইস্ট লেজার। মজমিল
হোসেন ভাইস-প্রেসিডেন্ট অফ ইউনাইটেড নেশন অ্যাসি ইউনাইটেড নেশন অ্যাসোসিয়েশন ইস্টবোর্নসাউথ ইস্ট-এর ভাইস-প্রেসিডেন্ট মোজমিল হুসেন বলেন,
বাংলাদেশের ৫৪টি জাতিসংঘ মিশনে (বাংলাদেশ সেনাবাহিনী) বাংলাদেশের দেড় লাখের বেশি শান্তিরক্ষীর
অবদান জনবহুল দেশের পাশাপাশি ১৫ লাখ অমীমাংসিত রুহিঙ্গা ।
মজমিল হুসেন বলেন, বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তায় উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে, বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর মাধ্যমে জাতিসংঘের ৫৪টি শান্তিরক্ষা মিশনে দেড় লাখেরও বেশি শান্তিরক্ষী মোতায়েন
করেছে। বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশগুলির মধ্যে একটি হওয়া সত্ত্বেও এবং প্রায় ১.৫ মিলিয়ন
বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের হোস্ট করা অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মানবিক
দায়িত্ব পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে।![]()
১লা জানুয়ারী ২০২৭-এ জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব নিয়োগের অপেক্ষায়, বিশ্বের একজন শক্তিশালী
নেতার প্রয়োজন যিনি মানবাধিকারের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াবেন, সংঘাত ও যুদ্ধ প্রতিরোধে কাজ করবেন
এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নেবেন বলে আয়োযকরা জানান ।![]()
বাংলাদেশ সময়: ২২:৪৬:১৬ ৩৩ বার পঠিত |