বায়েজিদ হাসান : ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচটা একসময় ইংল্যান্ডের জন্য দুঃস্বপ্ন হয়ে উঠেছিল। ম্যাচের মাত্র ৭ মিনিটেই ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে এগিয়ে যায় আফ্রিকার দলটি। এরপর পুরো ম্যাচজুড়ে ইংল্যান্ডকে একপ্রকার নাস্তানাবুদ করেই ছাড়ে ডিআর কঙ্গো।
হ্যারি কেইন, জুড বেলিংহাম, ডেক্লান রাইসদের একের পর এক আক্রমণ অবিশ্বাস্য দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন ডিআর কঙ্গোর গোলরক্ষক। তার দুর্দান্ত সব সেভে হতাশ হয়ে পড়ে ইংলিশ আক্রমণভাগ। ম্যাচ যত এগোচ্ছিল, ততই মনে হচ্ছিল বড় এক অঘটনের জন্ম দিতে যাচ্ছে ডিআর কঙ্গো।
কিন্তু বড় খেলোয়াড়রা বড় মুহূর্তেই নিজেদের চেনান। ৭৫ মিনিটে দুর্দান্ত এক হেড থেকে সমতাসূচক গোল করেন হ্যারি কেইন। আর সেখান থেকেই যেন বদলে যায় পুরো ম্যাচের গল্প।
এরপর ৮৬ মিনিটে আবারও জ্বলে ওঠেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। বক্সের ভেতরে অসাধারণ ফিনিশিংয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ইংল্যান্ডকে এনে দেন অবিশ্বাস্য এক জয়। কেন তাকে এই যুগের অন্যতম কিংবদন্তি নাম্বার নাইন বলা হয়, সেটার আরেকটি প্রমাণ দিলেন কেইন।
এই রাত যেন শুধুই ইংল্যান্ডের জয়ের রাত নয়, পুরোটা ছিল হ্যারি কেইনময় এক রাত।
এই জয়ের মাধ্যমে রাউন্ড অব ১৬-এ উঠে গেছে ইংল্যান্ড, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ এখন মেক্সিকো।
বাংলাদেশ সময়: ২২:২৭:৪২ ৫২ বার পঠিত |