![]()
মৌসুম শেষে চুক্তির মেয়াদ শেষ। সেই চুক্তির মেয়াদ আর বাড়ছে না। ম্যানচেস্টার সিটিতে জন স্টোন্সের এক দশকের অধ্যায়ের ইতি ঘটতে চলেছে। ইংলিশ ডিফেন্ডার বলছেন, এই ক্লাবে তার সব স্বপ্ন পূরণ করেছেন তিনি।
২০১৬ সালে এভারটন থেকে সিটিতে যোগ দিয়ে ২৯৩ ম্যাচ খেলেছেন স্টোন্স। এই মৌসুমে চোটের কারণে অনেকটা সময় মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে তাকে। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে খেলতে পেরেছেন মাত্র ১৬ ম্যাচ।
ইংলিশ ফুটবলে সিটির গত কয়েক বছরের আধিপত্যে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন স্টোন্স।
ছয়টি প্রিমিয়ার লিগ, একটি চ্যাম্পিয়নস লিগ, দুটি এফএ কাপ, তিনটি লিগ কাপ, একটি ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপসহ জিতেছেন ১৬টি ট্রফি।
আজ (২৮ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিটি ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে স্টোন্স লিখেছেন, এখানে যতটা চেয়েছিলেন তার সবটুকুই অর্জন করতে পেরেছেন, ‘আমি এখানে এসেছিলাম তরুণ হিসেবে, এখন বিদায় নিচ্ছি পরিণত একজন মানুষ হিসেবে; একজন বাবা, একজন স্বামী এবং মাঠের খেলায় একজন পরিপূর্ণ ফুটবলার হিসেবে। আমার সব স্বপ্ন পূরণ করেছি এবং যা অর্জন করতে এখানে এসেছিলাম, তার সবকিছুই করেছি।’
স্টোন্স আরো লিখেছেন, ‘এখানে আমার ক্যারিয়ারের শুরুতে কখনো ভাবিনি যে, আমি এই অবস্থানে পৌঁছাব।
আমার প্রতিটি স্বপ্ন যেন সত্যি হয়ে গেছে।’
পেপ গার্দিওলা সিটির কোচ হয়ে আসার পর তার দলে নেওয়া দ্বিতীয় খেলোয়াড় ছিলেন স্টোন্স। ৩১ বছর বয়সী ডিফেন্ডার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন কোচের প্রতিও, ‘আমার মনে হয় না তাকে ছাড়া এতটা সাফল্য পেতাম। আমি কৃতজ্ঞ যে, তার সঙ্গে এত দীর্ঘ সময় কাটাতে পেরেছি এবং সবকিছু জিততে পেরেছি। তিনি আমার জন্য যা করেছেন, সেজন্য নিজেকে ভাগ্যবান এবং কৃতজ্ঞ মনে করি।
সিটির রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি ১৯টি গোলও করেছেন স্টোন্স। যার মধ্যে আছে ২০২৪ সালে আর্সেনালের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সমতা ফেরানো গোল।
২০১৮-১৯ মৌসুমে লিভারপুলের বিপক্ষে গোললাইন থেকে তার বল ক্লিয়ার করার ঘটনাটি তো এখনো স্মরণীয় হয়ে আছে, যা সিটিকে ৯৮ পয়েন্ট পেতে এবং এক পয়েন্টের ব্যবধানে লিগ জিততে সহায়তা করেছিল।
বাংলাদেশ সময়: ০:৫৫:৫২ ৬২ বার পঠিত |