![]()
টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় মৌলভীবাজারের বিভিন্ন হাওরাঞ্চলে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পরিস্থিতি ও সরকারি সহায়তা কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে মঙ্গলবার রাজনগর উপজেলার কাউয়াদিঘি হাওর পরিদর্শন করেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল।
পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রাজনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল সিকদার, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মৌলভীবাজারের উপপরিচালক। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা যথাযথভাবে প্রস্তুত করা হচ্ছে কি না, তা সরেজমিনে যাচাই করা হয়।
জেলা প্রশাসক হাওরপাড়ের কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের বর্তমান পরিস্থিতি, ফসলের ক্ষয়ক্ষতি ও প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়ে খোঁজখবর নেন। তিনি কৃষকদের কাছ থেকে পানি বৃদ্ধির কারণ, ফসল রক্ষায় করণীয় এবং ভবিষ্যতে ক্ষতি কমানোর সম্ভাব্য উপায় সম্পর্কেও মতামত শোনেন।
এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কি না তা জানতে চান। কোনো কৃষকের নাম তালিকায় না থাকলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন তিনি।
পরে জেলা প্রশাসক কাউয়াদিঘি হাওরের পানি নিষ্কাশন কার্যক্রম সচল রাখতে পরিচালিত কাশেমপুর পাম্প হাউজ পরিদর্শন করেন। সেখানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে পানি নিষ্কাশন পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন এবং কার্যক্রম আরও জোরদার করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
এছাড়া তিনি রাজনগর উপজেলা কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত দুইজন মৎস্যজীবীর মাঝে মাছের খাবার বিতরণ করা হয়।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হাওরাঞ্চলের পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও মৎস্যজীবীদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ২৩:০১:২৪ ২৭ বার পঠিত |