লন্ডন    মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আপনার এলাকার খবর

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রথম পাতা » জাতীয় » প্যারোল মেলেনি, কারাফটকে বাবাকে শেষ দেখা দেখলেন ছাত্রলীগ নেতা

প্যারোল মেলেনি, কারাফটকে বাবাকে শেষ দেখা দেখলেন ছাত্রলীগ নেতা


বিএনবি নিউজ
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬


প্যারোল মেলেনি, কারাফটকে বাবাকে শেষ দেখা দেখলেন ছাত্রলীগ নেতাপ্যারোল মেলেনি, কারাফটকে বাবাকে শেষ দেখা দেখলেন ছাত্রলীগ নেতাবরিশালে বাবার জানাজা ও দাফনে অংশ নেওয়ার জন্য কারাবন্দি ছাত্রলীগ নেতা প্যারোলে মুক্তির আবেদন জানালেও তা মঞ্জুর হয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে কারাফটকে শেষবারের মত বাবার মুখ দেখেন তিনি।

বরিশালে বাবার জানাজা ও দাফনে অংশ নেওয়ার জন্য কারাবন্দি ছাত্রলীগ নেতা প্যারোলে মুক্তির আবেদন জানালেও তা মঞ্জুর হয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে কারাফটকে শেষবারের মত বাবার মুখ দেখেন তিনি।

বুধবার বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে এ ঘটনা ঘটেছে।

স্বজনরা জানান, বরিশাল নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি আহসান শাহরুখ কারাগারে আছেন। তিনি নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজী বাড়ী এলাকার বাসিন্দা মো. আবুল বাশারের ছেলে।

আবুল বাশার বুধবার বেলা ১১টার দিকে মারা যান। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে জানাজা ও দাফনে অংশ নেওয়ার জন্য ছেলে আহসান শাহরুখের পক্ষে আইনজীবীর মাধ্যমে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়।

শাহরুখের ছোট ভাই মো. আল আমিন বলেন, “এ মাসে শাহরুখকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে তাকে তিনবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাবার মৃত্যুর পর ভাইয়ার প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গেলে রাজনৈতিক মামলা শুনে দীর্ঘ সময় কেউ সহযোগিতা করেনি।

“পরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে দেখা করি। তখন তিনি জানান, প্যারোলে মুক্তি দেওয়া সম্ভব নয়। জেলগেইটে দেখা করতে হবে। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ নিয়ে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটকে যান।”

স্বজনদের দাবি, সেখানে তিনজনের বেশি প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

প্যারোলের আবেদন করা আইনজীবী মো. মিজানুর রহমান মিন্টু বলেন, “আমরা প্যারোলের আবেদন করেছিলাম। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্যারোলে মুক্তি সম্ভব নয়। জেলগেইটে সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়া হবে।”

তবে বরিশালের অতিরিক্ত জেলা হাকিম উপমা ফারিসা বলেন, “আমার কাছে প্যারোলে মুক্তির একটি আবেদন আসে। আবেদনটি জেলা প্রশাসক বরাবর ছিল। পরে আবেদনের বিষয়টি আমি জেলা প্রশাসক স্যারকে জানাই। স্যার অফিসে না থাকায় আবেদনটি হোয়াটসঅ্যাপে দেই।

“স্যার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেল গেইটে দেখা করার সিদ্ধান্ত দেন। এখানে পুরো বিষয়টি স্যারই সিদ্ধান্ত নেন। পরে আমি সিদ্ধান্তের বিষয়টি স্বজনদের জানিয়ে দেই।”

এ বিষয়ে জানতে বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনের মোবাইলে ও হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করলেও তিনি ধরেননি।

বাংলাদেশ সময়: ৮:৫২:৩৯   ৩২ বার পঠিত  |